আস্ক টু আন্স প্লাটফর্মে আপনাকে স্বাগতম, সমস্যার সমাধান খুঁজতে প্রশ্ন করুন।।
0 টি ভোট
65 বার প্রদর্শিত
"বাংলা সাহিত্য" বিভাগে করেছেন (525 পয়েন্ট)

সুকান্ত ভট্টচার্য কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?

"এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।"-পড়ক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (525 পয়েন্ট)

উদ্দীপকঃ-

"ওরে নবীন ওরে আমার কাঁচা, ওরে সবুজ, ওরে অবুঝ, আধ মরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা, রক্ত আলোর মদে মাতাল ভোরে আজকে যে যা বলে বলুক তোরে সকল তর্ক হেলায় তুচ্ছ করে পুচ্ছটি তোর উচ্চে তুলে নাচা। আয় দুরন্ত আয় রে আমার কাঁচা।"

ক. সুকান্ত ভট্টচার্য কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?

খ. "এদেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে।"-পড়ক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।

গ. "উদ্দীপকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় বর্ণিত বিষয়ের আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।"- ব্যাখ্যা করো।

ঘ. ""আঠারো বছর বয়স' কবিতা এবং উদ্দীপকে মূলত তারুণ্যেরই। জয়গান গাওয়া হয়েছে"-এ বিষয়ে তোমার যৌক্তিক মতামত দাও।


উত্তরঃ-

ক) সুকান্ত ভট্টাচার্য 'দৈনিক স্বাধীনতা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।


গ) উদ্দীপকে তারুণ্যের কেবল একটি বিশেষ দিক আলোচিত হওয়ায় এখানে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি বয়ঃসন্ধিকালের নানা বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। তারুণ্যের ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যের গুণগানের পাশাপাশি জাতীয় জীবনে এ বয়সের উদ্দীপনাকে তিনি প্রত্যাশা করেছেন। কবিতায় তিনি আঠারো বছর বয়সের নানা দিক নিজ অভিজ্ঞতার আলোকে বিশদভাবে উপস্থাপন করেছেন। এ বয়স নিয়ে উৎকণ্ঠাও প্রকাশ করেছেন তিনি। উদ্দীপকের কবিতাংশে নিশ্চল সমাজে প্রাণের সঞ্চার ঘটাতে নবীনদের প্রতি আহ্বান করা হয়েছে। এখানে তারুণ্যের শক্তিতে বলীয়ান হয়ে সকল বাধা অতিক্রম করে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় পৌছানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় আঠারো বছর বয়সি তরুণদের নানা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। কবির দৃষ্টিতে এ বয়সটি উত্তেজনার, প্রবল উচ্ছ্বাসে জীবনের ঝুঁকি নেওয়ার, অদম্য দুঃসাহসে বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে যাওয়ার এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার উপযুক্ত সময়। পাশাপাশি, সমাজজীবনের নানা বিকার, অসুস্থতা ও সর্বনাশের অভিঘাতে এ বয়সের শঙ্কাজনক দিকটিও তুলে ধরেছেন তিনি। উদ্দীপকের ক্ষুদ্র পরিসরে তারুণ্যের জয়গানের দিকটি ফুটে উঠলেও আলোচ্য কবিতায় বর্ণিত অন্যান্য দিক প্রতিফলিত হয়নি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে আলোচ্য কবিতার আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে মাত্র।পরিসরে ভিন্নতা থাকলেও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতা ও উদ্দীপকে মূলত তারুণ্যেরই জয়গান গাওয়া হয়েছে।


ঘ) পাঠ্য কবিতায় কবি আঠারো বছর বয়সের নানা ইতিবাচক দিক চিহ্নিত। করেছেন। সতর্ক করেছেন নেতিবাচক দিক সম্পর্কেও। এ বয়সের বৈশিষ্ট্য অঙ্কন করতে গিয়ে কবি মূলত তরুণদের জয়গানই করেছেন। তিনি মনে করেন, এ দেশের তরুণেরাই জাতীয় জীবনের মূল চালিকাশক্তি হয়ে এগিয়ে আসবে।উদ্দীপকের কবিতাংশে স্থবিরতা ও নিশ্চলতায় জর্জরিত মানুষের মাঝে প্রাণের স্যার করতে নবীনদের আহ্বান করা হয়েছে। একই সঙ্গে সকল বাধাকে তুচ্ছ করে নিজ নিজ ব্যক্তিত্বের স্ফুরণ ঘটানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে এখানে। ক্ষবি সমস্যাপীড়িত জাতিকে উদ্ধার করতে তারুণ্যের শক্তির ওপর তাঁর নির্ভরতার কথা ব্যক্ত করেছেন। একইভাবে, 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায়ও কবি আঠারো বছর বয়সের নানা ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যের জাগরণ কামনা করেছেন।পাঠ্য কবিতায় কবি মনে করেন, আঠারো বছর বয়সটি প্রবল আবেগ ও উচ্ছ্বাসে জীবনের ঝুঁকি নেওয়ার জন্য উপযোগী। এ বয়সের তরুণদের । ধর্মই হলো আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হওয়া- আঘাত-সংঘাতের মধ্যে রক্তশপথ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া। এখানে নির্দিষ্টভাবে আঠারো বছর বয়সের বৈশিষ্ট্য বলা হলেও তা আসলে তারুণ্যেরই সাধারণ বৈশিষ্ট্য। উদ্দীপকের কবিতার ক্ষুদ্র পরিসরেও মূলত তারুণ্যের জয়গান গাওয়া হয়েছে। তাই বলা যায়, আলোচ্য কবিতা ও উদ্দীপকের কবিতাংশ, উভয়ক্ষেত্রেই মুখ্য হয়ে উঠেছে তারুণ্যের জয়গানের দিকটি।


উদ্দীপকঃ-

পাড়ার সকলের প্রিয় বাদল। অদ্ভুত তার চরিত্র। এখনই কারো গাছের ফল চুরি করে খেলো তো পরক্ষণেই শীতার্তকে গায়ের জামা খুলে দিয়ে দিলো। কখনো গৃহস্থের গরুর গলা থেকে রশি খুলে দিয়ে মজা করছে আবার কখনো মহিলাদের আড্ডায় রবারের সাপ ছেড়ে দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে। সেই বাদলই আবার প্রতিবেশীর বাড়িতে হামলা করা ডাকাত দলকে রুখে দিলো। কারো বাচ্চা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, কারো অসুস্থ আত্মীয়কে হাসপাতালে নিতে হবে, কোনো কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার পাশে দাঁড়াতে হবে- এ সমস্ত দিকেই তার দৃষ্টি।

ক. সুকান্ত ভট্টাচার্যের অকাল প্রয়াণ কতো বছর বয়সে হয়?

খ. 'এ বয়সে কানে আছে কত মন্ত্রণা।' লাইনটিতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?

গ. বাদলের পরোপকারের বিষয়টি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটির ইঙ্গিতবাহী? বুঝিয়ে দাও।

ঘ. 'তবু আঠারোর শুনেছি জয়ধ্বনি'- পড়ত্তিটির আলোকে, উদ্দীপকটিকে মূল্যায়ন করো।


উত্তরঃ-

ক) সুকান্ত ভট্টাচার্যের অকাল প্রয়াণ একুশ বছর বয়সে হয়।


উদ্দীপকঃ-

"আমরা নূতন যৌবনেরই দূত।

আমরা চঞ্চল, আমরা অদ্ভুত।

আমরা বেড়া ভাঙি,

আমরা অশোক বনের রাঙা নেশায় রাঙি।

ঝঞ্ঝার বন্ধন ছিন্ন করে দিই-আমরা বিদ্যুৎ।"

ক. সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস কোন জেলায়?

খ. "আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ" বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

গ. উদ্দীপকের সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন বিষয়ের সংগতি রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. "প্রাণধর্ম ও যৌবনধর্ম আঠারো বছর বয়স' কবিতার মূল উপজীব্য"-উক্তিটির সপক্ষে তোমার যুক্তি দাও'।


উত্তরঃ-

ক) সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক নিবাস গোপালগঞ্জ জেলার কোটালিপাড়ায়।


গ) উদ্দীপকে তরুণদের সব বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে দুঃসাহসে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতার সাথে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সংগতি রয়েছে। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি বয়ঃসন্ধিকালের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন। এ বয়সি তরুণরা অসীম সাহস' ও আত্মত্যাগের মহানমন্ত্রে উজ্জীবিত। শত আঘাত-সংঘাতের মধ্যেও তারা রক্তশপথ নিয়ে মানুষের কল্যাণে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে। বাধা জয়ের এমন সাহসী চেতনা উদ্দীপকেও প্রতীকায়িত হয়েছে।উদ্দীপকে নব যৌবনের দূত তরুণেরা চঞ্চল, দুর্বার। তারা বিজয়ের নেশায় বাধার প্রাচীর ভাঙে। তাদের গতি বিদ্যুতের মতো বেগবান। তারা মানবতার সমাজ গড়তে দুঃসাহসে এগিয়ে যায়। এমন ভাঙা-গড়ার মানসিকতায় দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়টি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায়ও প্রকাশিত হয়েছে। আঠারো বছর বয়সের তরুণেরা। অদম্য দুঃসাহসে সকল বাধা-বিপদ ডিঙিয়ে যায়। অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। তারা মানবতার জন্য নতুন সমাজজীবন রচনার স্বপ্ন দেখে। নতুন জগৎ নির্মাণের এমন দুঃসাহসিক অভিযাত্রার বিষয়ে উদ্দীপক ও 'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি সংগতিপূর্ণ।


ঘ) উদ্দীপকে প্রাণধর্ম ও যৌবনধর্ম, সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে, যা 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায়ও পরিলক্ষিত হয়।আঠারো বছর বয়স কবিতাটিতে আঠারো বছর বয়সকে নানা ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। এ বয়সেই মানুষ অন্যের ওপর নির্ভরশীলতা পরিহার করে মাথা উঁচু করে স্বাধীনভাবে চলার ঝুঁকি নিয়ে থাকে। নানা দুঃসাহসী স্বপ্ন, কল্পনা, উদ্যোগ এ বয়সের তরুণদের মনকে ঘিরে ধরে। দেশ, জাতি ও মানবতার জন্য যুগে যুগে এ বয়সের মানুষই এগিয়ে গেছে সবচেয়ে বেশি।উদ্দীপকে 'নূতন যৌবনেরই দূত' হিসেবে তরুণদের প্রতি নির্দেশ করা হয়েছে। বাধা-বন্ধন ছিন্ন করে তাদের এগিয়ে চলার প্রবণতাকে প্রশংসা করা হয়েছে। এ তরুণেরা জীবন বাজি রেখে যেকোনো অন্যায় প্রতিরোধ করতে প্রস্তুত। এসব বৈশিষ্ট্য তরুণদের প্রাণময়তা ও যৌবনধর্মের পরিচয় বহন করে। আলোচ্য কবিতায়ও এমনি দুর্বার তারুণ্যের পরিচয় মেলে।'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় আঠারো বছর বয়সের বৈশিষ্ট্য হিসেবে কল্যাণচিন্তা, সেবাব্রত, উদ্দীপনা, সাহসিকতা ও চলার দুর্বার গতিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। জড় ও নিশ্চল জীবনকে পেছনে ফেলে নতুন সমাজ গড়ার স্বপ্ন এ বয়সের তরুণেরাই দেখতে পারে, যা উদ্দীপকে বর্ণিত প্রাণময়তা ও যৌবনধর্মকে স্মরণ করিয়ে দেয়। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায়ও তারুণ্যের দুর্বার ও দুর্দমনীয় বৈশিষ্ট্য লক্ষণীয়। বরং আমরা বলতে পারি, উদ্দীপকে প্রাণধর্ম ও যৌবনধর্মের যে ইঙ্গিত রয়েছে তার একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র অঙ্কিত হয়েছে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায়। সেজন্যেই উদ্দীপকে উল্লিখিত মন্তব্যটি যথার্থ।

Ask2Ans এ আপনাকে সুস্বাগতম, এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং Ask2An অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পাবেন। এখান থেকে যেমন আপনি জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন তেমনিই এটি ব্যবহার করে আপনার জ্ঞান দিয়ে অপরকে সহায়তা করতে পারবেন। জ্ঞানার্জনের অন্যতম বাংলা প্লাটফর্ম হলো Ask2Ans, আমাদের সাথে থাকুন জ্ঞানঅর্জন করুন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর 117 বার প্রদর্শিত
0 টি ভোট
1 উত্তর 76 বার প্রদর্শিত
0 টি ভোট
1 উত্তর 120 বার প্রদর্শিত
0 টি ভোট
1 উত্তর 61 বার প্রদর্শিত
16 জানুয়ারি "ইসলাম শিক্ষা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Admin (525 পয়েন্ট)
...