আস্ক টু আন্স প্লাটফর্মে আপনাকে স্বাগতম, সমস্যার সমাধান খুঁজতে প্রশ্ন করুন।।
0 টি ভোট
51 বার প্রদর্শিত
"বাংলা সাহিত্য" বিভাগে করেছেন (513 পয়েন্ট)

"আঠরো বছর বয়স" কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?

"এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে"- কবিব এ আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন কেন?

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (513 পয়েন্ট)

উদ্দীপকঃ-

কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাজেশ আর সৈকত, একটি মানিব্যাগ দেখতে পায়। ব্যাগের মালিককে তারা খুঁজে বের করার চেষ্টা করে। ব্যাগের ভেতর একটি পাসপোর্ট ও অনেক টাকা দেখে রাজেশ ধারণা করে ব্যাগটি কোনো বিদেশগামী ব্যক্তির হবে। ব্যাগটি হারিয়ে ব্যাগের মালিক কতটা কষ্টে আছে তারা তা অনুভব করে ব্যথিত হয়। অবশেষে তারা তা থানায় জমা দিয়ে আসে এবং পত্রিকায় একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রকৃত মালিককে ব্যাগটি ফেরত দেয়ার উদ্যোগ নেয়।

ক. "আঠরো বছর বয়স" কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?

খ. 'এ দেশের বুকে আঠারো আসুক নেমে'- কবিব এ আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন কেন?

গ. উদ্দীপকে রাজেশ ও সৈকতের উদ্যোগ 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? বর্ণনা করো।

ঘ. উদ্দীপকে আলোচ্য কবিতার ভাব পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়েছে"- মন্তব্যের সঙ্গে তুমি কি একমত? যুক্তি দাও।


উত্তরঃ-

ক) 'আঠারো বছর 'বয়স' কবিতাটি 'ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।


গ) উদ্দীপকে রাজেশ ও সৈকতের উদ্যোগে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় উল্লিখিত সেবাধর্ম পালন- বিশেষ দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় করি আবেগ উচ্ছ্বাস, দুঃসাহস, ভয়হীন সময়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, ত্যাগ স্বীকার, সেবাধর্ম পালন, দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মত্যাগ, বিপ্লবী চেতনা ইত্যাদি প্রকাশ করেছেন। আঘাত সংঘাতের মধ্যে রক্তশপথ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার বয়স আঠারো বছর। এই বয়সের ধর্মই হলো আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হওয়া। সমাজ জীবনের নানা অভিঘাতে এই বয়স আঠারো হয়ে উঠতে পারে ভয়ংকর।উদ্দীপকের রাজেশ স্নার সৈকত কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে একটি মানিব্যাগ দেখতে পায় তারা। ব্যাগের ভেতর একটি পাসপোর্ট এবং অনেক টাকা দেখে রাজেশ ধারণা করে ব্যাগটি কোনো বিদেশগামী ব্যক্তির হবে। তারা ব্যাগের মালিককে খুঁজে বের করার চেষ্টা করে। ব্যাগ হারিয়ে মালিক কতটা কষ্টে আছে তা তারা অনুভব করে। পরে তা থানায় জমা দিয়ে আসে এবং পত্রিকায় একটি বিজ্ঞাপন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রকৃত মালিককে ব্যাগটি ফেরত দেয়ার উদ্যোগ নেয়। উদ্দীপকের রাজেশ ও সৈকতের কাজটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় উল্লিখিত সেবাধর্ম পালনের বিশেষ দিকটির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।


ঘ) বিষয়বস্তু বিবেচনায় উদ্দীপকে আলোচ্য কবিতার ভাব পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি।'আঠারো বছর বয়স' কবিতাটি সুকান্তের তারুণ্যের জয়গান সমৃদ্ধ এক অন্যবদ্য কবিতা। এই কবিতায় কবি তরুণদের সাহসী মনোবৃত্তির কথা প্রকাশ করেছেন। তরুণেরা যে কোনো কাজের ঝুঁকি নেওয়ার সাহস দেখায়। তারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার জন্য প্রস্তুত থাকে। এরা আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত থাকে, আঘাত-সংঘাতের মধ্যে রক্তশপথ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। পাশাপাশি তারা সমাজজীবনে নানা আভঘাতে ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে।উদ্দীপকে তরুণদের মানবিক হওয়ার দিকটি নির্দেশ করা হয়েছে। কলেজ, থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাজেশ ও সৈকত রাস্তায় একটি মানিব্যাগ পায়। মানিব্যাগের মধ্যে কাগজপত্র দেখে তারা ভাবে এটি বিদেশগামী কোনো ব্যক্তির গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র। তারা ব্যক্তিটির কষ্টের কথা অনুভব করে মানিব্যাগটির হারানোর বিজ্ঞপ্তি দেয় এবং থানায় জমা দেয়।'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় তারুণ্যশক্তির নানাদিক উন্মোচন করা হয়েছে। কিন্তু উদ্দীপকের লেখক একটিমাত্র দিকের প্রকাশ ঘটিয়েছেন। এই বয়সে অদম্য সাহস নিয়ে তরুণেরা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে। তারাই অসাধ্য সাধন করতে পারে। একটি সমাজ পরিবর্তনে তারুণ্যের শক্তি অনিবার্য হয়ে 'পড়ে। সেদিক দিয়ে উদ্দীপকে একটি হারিয়ে যাওয়া ম্যানিব্যাগ খুঁজে পেয়ে তা মালিকের কাছে পৌছানোর উদ্যোগ নিয়ে দুই তরুণ সেবাধর্ম পালন করেছে। উদ্দীপকে আলাচ্য কবিতার ভাব পুরোপুরি প্রতিফলিত হয়নি।


উদ্দীপকঃ-

মহামারি করোনায় যখন সমস্ত পৃথিবী বিপর্যস্ত হতে শুরু করে তার ঢেউ লাগে বাংলাদেশেও। ভয় আর আতকে মানুষ তখন দিশেহারা। এমনই এক বিপদগ্রস্ত, সময়ে বানেশ্বর গ্রামের কলেজ পড়ুয়া সাদিয়া মৃত্যু ভয়কে উপক্ষো করে এলাকার কিছু সাহসী তরুণ ও তরুণীকে সাথে নিয়ে গড়ে তোলে 'এসো পাশে দাঁড়াই' নামে এক সংগঠন। এই সংগঠনের ব্যানারে সাদিয়া ও তার বন্ধুরা এলাকার অসহায় ও ভয় পাওয়া মানুষদের খাবার, ওষুধ, আর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়।

ক. আঠারো বছর বয়সে অহরহ কী উঁকি দেয়?

খ. এ বয়স জানে রক্ত দানে পুণ্য' হয়েছে? বাক্যটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?

গ. উল্লিখিত উদ্দীপকটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার কোন দিকটিকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দাও।

ঘ. "উদ্দীপকটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থের পুরো অর্থ ধারণ করে না।"- এ সম্পর্কে তোমার মতামত আলোচনা করো।


উত্তরঃ-

ক) আঠারো বছর বয়সে অহরহ দুঃসাহসেরা উকি দেয়।


গ) উল্লিখিত উদ্দীপকটি 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার তরুণদের দুর্যোগ, দুর্বিপাক মোকাবিলা করে পরের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার দিকটিকে নির্দেশ করে।আঠারো বছর বয়স কবিতায় তরুণদের আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে পরের স্বার্থে নিবেদিত হওয়ার দিকটি উঠে এসেছে। কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণের এ বয়সটি প্রবল আবেগ, উচ্ছ্বাস ও • উত্তেজনায় জীবনের ঝুঁকি নেওয়ার জন্য উপযোগী। এ বয়স সকল • বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে যাওয়ার এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার জন্য প্রস্তুত থাকে।উদ্দীপকের কলেজ পড়ুয়া সাদিয়া মৃত্যু ভয় উপেক্ষা করে এলাকার সাহসী তরুণ ও তরুণীদের নিয়ে মানুষের সেবায় আত্মনিয়োগ করে। সে করোনায় আক্রান্ত গ্রামের বিপদগ্রস্ত মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে 'এসো পাশে দাঁড়াই' নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে তোলে। তার এ সংগঠনের উদ্যোগে সে এবং তার বন্ধুরা এলাকায় অসহায় ও ভয় পাওয়া মানুষদের খাবার, ওষুধ এবং বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, তারা অন্যের কল্যাণে সাহসের সাথে আত্মনিয়োগ করে। আঠারো বছর বয়স কবিতার তরুণেরাও অদম্য দুঃসাহসের সকল বাধাকে অতিক্রম করে মানবতার সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করে। আত্মত্যাগের মহান মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে তারা দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য আত্মনিয়োগ করে। সমাজের নানা বিকার ও অন্ধকার দূরীকরণে তারা হয়ে ওঠে দুঃসাহসী সৈনিক। মানবতাবোধে উজ্জীবিত হয়ে সকলের কল্যাণের জন্য তরুণদের এমন আত্মত্যাগের উপমা উদ্দীপকের সাদিয়া ও তার বন্ধুদের সাহসী উদ্যোগেও ফুটে উঠেছে।


ঘ) উদ্দীপকে কেবল তারুণ্যের সাহসী বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হয়েছে যা 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থের পুরো অংশ ধারণ করে না।'আঠারো বছর বয়স' কবিতায় কবি আঠারো বছর বয়স তথা তারুণ্যশক্তির নানা ইতিবাচক দিয়ে তুলে ধরেছেন। এ. বয়সকে কবি বলেছেন দুর্বার, দুঃসহ ও নির্ভীক। এ বয়সের তরুণেরা সমাজ জীবনের নানা বিকার ও সর্বনাশের অভিঘাতকে রুখে দিতে পারে।উদ্দীপকে সাদিয়া ও তার বন্ধুদের সাহসী উদ্যোগ তুলে ধরা হয়েছে। করোনায় ভীতসন্তস্ত মানুষদের খাদ্য, ওষুধ ও বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে তারা একটি সংগঠন গড়ে তোলে। 'এসো পাশে দাঁড়াই' নামের এ সংগঠনটিতে গ্রামের তরুণ ও তরুণীরা অসহায় মানুষদের সহযোগিতার নিমিত্তে ঐক্যবদ্ধ হয়। তারা করোনার ভয়কে উপেক্ষা করে সাহসের সাথে মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করে।আলোচ্য কবিতায় প্রকাশ পেয়েছে তরুণ বয়সের এক দুর্নিবার চিত্র। যে বয়স অনেক বৈচিত্র্য ও উদ্যামতায় পরিপূর্ণ। কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণের এ বয়স অনেক উত্তেজনা, প্রবল আবেগ ও উচ্ছ্বাসে জীবনের ঝুঁকি নেওয়ার জন্য উপযুক্ত সময়ও। এ বয়স সকল বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে।সকল দুর্যোগ ও দুর্বিপাককে এ বয়স জোগাতে পারে অদম্য প্রাণশক্তি। তাই সমস্যাগ্রস্থ এদেশে তরুণেরা হতে পারে জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি। যৌবনের উদ্দীপনা, সাহসিকতা, দুর্বার গতি, নতুন জীবন রচনার স্বপ্ন ও কল্যাণব্রত এসব বৈশিষ্ট্যের জন্য কবি প্রত্যাশা করেছেন তারুণ্য ও যৌবন শক্তি যেন জাতীয় জীবনের চালিকাশক্তি হয়ে দাঁড়ায়। তারুণ্যের কিছু বৈশিষ্ট্য উদ্দীপকে প্রকাশ পেলেও অনুরূপ প্রত্যাশার বাণী উদ্দীপকে ধ্বনিত হয়নি। তাই বলা যায় উদ্দীপকের চেয়ে 'আঠারো বছর বয়স' কবিতার ভাবার্থ আরও গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ।

Ask2Ans এ সুস্বাগতম, যেখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং গোষ্ঠীর অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর 49 বার প্রদর্শিত
0 টি ভোট
1 উত্তর 17 বার প্রদর্শিত
16 ডিসেম্বর 2023 "বাংলা সাহিত্য" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Hasib (573 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর 32 বার প্রদর্শিত
14 নভেম্বর 2023 "বাংলা সাহিত্য" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Admin (513 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর 62 বার প্রদর্শিত
07 নভেম্বর 2023 "বাংলা সাহিত্য" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Hasib (573 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর 59 বার প্রদর্শিত
...