আস্ক টু আন্স প্লাটফর্মে আপনাকে স্বাগতম, সমস্যার সমাধান খুঁজতে প্রশ্ন করুন।।
0 টি ভোট
70 বার প্রদর্শিত
"ব্লগিং" বিভাগে করেছেন (573 পয়েন্ট)

  • কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল এসইও করা যাবে? 
  • ইউটিউবের ভিডিও এসইও করে কিভাবে? 
  • ভিডিওতে ভিউ বাড়াতে হয় কিভাবে?

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (573 পয়েন্ট)

ইউটিউব চ্যানেল এসইও করার উপায় জেনে নিনঃ-


ইন্টারনেটের দুনিয়ায় ইউটিউব ব্যবহার করে ভিডিও দেখে নি, এমন লোক পাওয়া কষ্টকর ব্যাপার বর্তমান বাজারে।কারণ ছোট্ট বাচ্চা হতে শুরু করে গ্রামের মধ্য বয়স্ক লোকজনের হাতে স্মার্ট ফোন আর তারা ভিডিও দেখছেন অনলাইনে।যা সম্ভব হয়েছে ইউটিউবের সহায়তায়।বিত্তবানরা তাদের সন্তানের খাওয়ার সময় মোবাইলে কার্টুন দিয়ে রাখে ইউটুউব ব্যবহার করেই।আজকাল প্রযুক্তির দৌলতে খবরগুলো আর বাড়িতে বসে টেলিভিশনে দেখতে হয় না, বিভিন্ন চ্যানেলে ইউটিউবেই সরাসরি সম্প্রচার দেখতে পাচ্ছি।ফলে দিন দিন এর ব্যবহার মানুষের কাছে বৃদ্ধি পাচ্ছে অন্যরকমভাবে।আর আমরাও সুবিধা নিচ্ছি নানানভাবে।এখন চ্যানেল মনিটাইজের মাধ্যমে গুগল এডসেন্স দ্বারা মানুষ তার অন্যন্য ভিডিও কন্টেন্ট দিয়ে টাকাও আয় করতে পারছেন।সেটা আবার অনলাইনে পেমেন্ট নিতে পারছে খুব সহজেই।

অর্থাৎ গুগল আমাদের উপহার দিয়েছে টাকা ইনকামের এক ভিন্ন পদ্ধতি।যে প্রক্রিয়ায় নিজের ইউনিক ভিডিও দিয়ে মাসিক ভালো আয় করা যাবে।তবে প্রথম অবস্থায় আমি বলবো না যে, আপনার মাসে হাজার হাজার টাকা পাবেন।যদি ধৈর্য্য রাখতে পারেন, তবে কাজের কয়েক বছর পর থেকে হাজার টাকা সম্ভব।কিন্তু এর জন্য প্রতিযোগীতার মাঠে আপনাকে অবশ্যই ঢিকে থাকতে হবে।না হলে অলসতায় আর হতাশ এনে দিবে আপনাকে।তাই পরিশ্রমের সাথে সময় আর ধৈর্য্যটাও রপ্ত করতে হবে এ পেশায়।তাহলে নিশ্চয় একদিন সফলতাও ধার প্রান্তে দাঁড়িয়ে হাসতে পারবেন।

অনেক ব্লগ বা ব্লগার তাদের পোস্টে বলে যে ইউটিউব থেকে সহজেই মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করুন, খুব সহজে টকা ইনকামের উপায় ইত্যাদি।এগুলো আসলে কিছু কিছু তারা একটু বাড়িয়ে বলে।কারণ শ্রম ছাড়াও আপনি সাফাল্য অর্জিত করতে পারবেন না।এক্ষেত্রে আপনার চ্যানেলটিকে রেডি করতে হবে মনিটাইজের জন্য শুরুতে।সুতরাং আপনার ভিডিওগুলাতে এডসেন্স না আসা পর্যন্ত সেগুলো দ্বারা আয় হবে না।তাই ধৈর্য্যের সঙ্গে অপেক্ষা করতে হবে মনিটাইজেশন চালু পর্যন্ত।চার হাজার ঘণ্টা ওয়াচটাইম ও ১ হাজার সাব উক্ত চ্যানেলে হলেই গুগল আপনাকে এদের এড নেটওয়ার্কে পাবলিশার করবে।

এবার এগুলো সম্পূর্ণ করতে হলে আপনার কিছু দিন সময় লাগবে।কারণ আপনি চাইলেই কিন্তু একদিনে তা পূর্ণ করতে পারবেন না।অর্গানিকভাবে কাজ করতে হলে আপনার সঠিকভাবে চ্যানেলটা ভালোভাবে এসইও করতে হবে।প্রথমে বেশ কয়েকটা ভিডিও আপলোড করুন চ্যানেলে ঠিকভতো বিস্তারিত লিখে।গুগল দেখবে আপনার চ্যানেলটাও কতটুকু কাজ আপনি ইউনিকভাব করেছেন।কারণ বৈধভাবে কাজ করলেই তারা এডস দিবে।কোন প্রকার অবৈধ অথবা মনিটাইজ নিয়মনীতি ভঙ্গ করে ওয়াচ টাইম কিংবা সাবস্ক্রাইব পূর্ণ করুন, তবে পলিসি ভায়োলেন্স দেখাবে।অর্থাৎ তারা আপনাকে এডসেন্স দিবে না।তাই এদের চোখ ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করা বোকামি, সুতরাং সময় এবং শ্রম বেশি লাগলেও তাদের নীতি মেনে কাজ করুন।না হলে পরিশেষে ব্যর্থ হওয়াটা স্বাভাবিক আপনার এত প্রচেষ্টার ফলাফল।


চ্যানেল কিভাবে seo করেঃ-

১. বেশ কয়েকটি কাজের মাধ্যমে ইউটিউবের অফ পেইজ ও অন পেইজ এসইও এর কর্ম করে নিতে পারেন।প্রথমে ভিডিওটা অবশ্যই অন্যন্যভাবে তৈরি করুন।কারো কপি অথবা মুভির ক্লিপস চুরি করা থেকে বিরত থাকুন।এর জন্যে বিভিন্ন টপিকের ওপর রিসার্চ করে নির্ধারণ করুন নিশটি।এখন এর উপরে কয়েকটা কীওয়ার্ড রি সার্চ করে নিন টুলস ব্যবহার করে।যা আপনি গুগল থেকেই পাবেন আশা করছি।টাইটেলে শব্দ রাখুন আকর্ষণীয়।আর সঠিকভাবে তৈরি করা ইমেজ থাম্বেলটায় দিন।যাতে লোকজনের আকর্ষণ অন্যদের ভিডিও হতে আপনারটায় বেশি থাকে।ফলে ভিউ বেশি হবার একটা সুযোগ থাকছে।আর এতে সাবস্ক্রাইব করার মানুষ আসবে আপনার চ্যানেলটাতে।

২. ডিস্ক্রিপশন বক্সে ভিডিও সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলী লিখে দিন।এতে বাংলা বা ইংরেজি চ্যানেলের ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভাষায় বিস্তারিত লেখুন।চেষ্টা করবেন ৪০০ বা ৩০০ শব্দের একটি সুন্দর ও গুছিয়ে, সাজানো বিস্তর আলোচনা সংক্ষেপে লেখার।যা অন্যন্য হবে এবং অন্যদের থেকে একটু ভিন্ন টাইপের।ভিডিও সংক্রান্ত তথ্য দিবেন অবশ্যই।# ট্যাগের কিছুটা ব্যবহার করতে পারেন শুরুতে।যা আপনি রিসার্চ করে করেছিলেন।সে সব শব্দ দিন প্রথম দিকে।

৩. ভিডিও youtube এ আপ দেওয়ার ক্ষেত্রে সব কিছু চেক করে নিবেন, ব্যাখ্যামূলক তথ্যে বানান সঠিক কিনা, অপনার ভয়েস ভিডিওতে ঠিকভাবে আসছে কিনা, ক্যাটাগরী সিলেকশন সঠিক আছে কি, আর অবশ্যই নন কিডস ও পাবলিক করে আপলোড দিবেন।১ মিনিটের উপরে এবং এই সময়ের যতটুকু সম্ভব বেশি টাইমের মান সম্মত একটি ভিডিও তৈরি করুন।তবে ৫ থেকে ২০ মিনিটের কনটেন্ট সৃষ্টি করলে ভিউ বেশি আসতে পারে।

৪. শেষে শব্দের #ট্যাগে কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করুন।যা কন্টেন্টের সাথে মিল, লোকজনে ইউটুবে সার্চ করে এমন ট্যাগগুলা ব্যবহার করে দিন এই বক্সে।ফলে আপনার ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার সম্ভাবনা কিছুটা থাকবে।অর্থাৎ সঠিক কীওয়ার্ডের ট্যাগ দ্বারা চ্যানেলটির অন পেইজ কাজ এর সমাপ্ত করুন।

৫. এবার অফ পেইজের জন্যে চ্যানেলের একটা ভালো লগো দিন।যা নামের সাথে সম্পর্কিত ও ঠিকমতো ডিজাইনে তৈরি করা হয়েছে।তারপরে কভার ফটো এড দিন ডিজাইনকৃত একটু ভিন্ন ইমেজ।চ্যানেলের ডিস্ক্রিপশনে সুন্দরভাবে আপনঅকে নিয়ে কিছু তথ্য আর চ্যানেল এবং এর পিছনের লক্ষ্যটা সকলের মাঝে তুলে ধরুন।যা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছেন ভিডিওর মধ্যে সেগুলো এবক্সে সংক্ষিপ্ত আকারে লিখুন।

তাহলে আজ ইউটিউব চ্যানেলের ছোট্ট গল্পের সমাপ্ত এখানেই করলাম।সকলের জন্য শুভ কামনা রইলো।আশা করি আপনারা এভাবে আমাদের টিমের সাথে থাকবেন ও আর্টিকেল পড়ার জন্য নিয়মিত আসবেন।আর কোনো প্রকার প্রশ্ন থাকলে জলদি করে ফেলুন। 

292 টি প্রশ্ন

292 টি উত্তর

1 মন্তব্য

177 জন সদস্য

Ask2Ans এ সুস্বাগতম, যেখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং গোষ্ঠীর অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর 41 বার প্রদর্শিত
03 ডিসেম্বর 2023 "ব্লগিং" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Hasib (573 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
0 টি উত্তর 4 বার প্রদর্শিত
1 দিন পূর্বে "ব্লগিং" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Admin (513 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
0 টি উত্তর 5 বার প্রদর্শিত
1 দিন পূর্বে "ব্লগিং" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Admin (513 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর 69 বার প্রদর্শিত
18 নভেম্বর 2023 "ব্লগিং" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Hasib (573 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
0 টি উত্তর 30 বার প্রদর্শিত
03 জানুয়ারি "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Hasib (573 পয়েন্ট)
...