আস্ক টু আন্স প্লাটফর্মে আপনাকে স্বাগতম, সমস্যার সমাধান খুঁজতে প্রশ্ন করুন।।
0 টি ভোট
53 বার প্রদর্শিত
"পড়াশোনা" বিভাগে করেছেন (502 পয়েন্ট)

  • রাজা দাহিরের পত্নীর নাম কী?
  • সুলতান মাহমুদের অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য সম্পর্কে কী জান?
  • হাজ্জাজ বিন ইউসুফ কে ছিলেন?
  • মুহাম্মদ বিন কাসিমের মৃত্যুর কারণ ব্যাখ্যা কর।

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (502 পয়েন্ট)

উদ্দীপকঃ-


=> জানবিল একটি সাম্রাজ্যের একটি অঞ্চলের শাসনকর্তা। তিনি যেমন কঠোর তেমনি নিষ্ঠুর। কিন্তু তিনি আবার একই সাথে সাম্রাজ্যবাদী ও উচ্চাভিলাষী। নতুন দেশ, রাজ্য ও জনপদ জয়ে তিনি আনন্দ লাভ করতেন। টগবগে তরুণ ভ্রাতুপুত্র নাভিদকে দিয়ে নিজের স্বপ্ন পুরণের আকাঙ্ক্ষা। সীমান্তে বিরোধের ঘটনা যেন তার স্বপ্ন পূরণকে একধাপ এগিয়ে দিল। সীমান্তে দুটি অভিযান পাঠিয়ে ব্যর্থ হলেন। অবশেষে তাঁর সাম্রাজ্যবাদী আকাঙ্গার চূড়ান্ত রূপ দিতে তরুণ নাভিদ এগিয়ে এলো এবং জয়মাল্য এনে দিল।


প্রশ্নঃ-

ক. রাজা দাহিরের পত্নীর নাম কী?

খ. সুলতান মাহমুদের অর্থনৈতিক উদ্দেশ্য সম্পর্কে কী জান?

গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনাটি ভারতবর্ষে কোন বিজয়াভিযানের সাথে সম্পর্কিত? পঠিত জ্ঞান থেকে ব্যাখ্যা কর।

ঘ. উক্ত অভিযানকে কি সর্বক্ষেত্রেই "নিষ্ফল বিজয় উপাখ্যান" বলে অভিহিত করা যায়? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।


প্রশ্নের উত্তরঃ-


ক) রাজা দাহিরের পত্নীর নাম রানিবাঈ।


খ) সুলতান মাহমুদের ভারত আক্রমণের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ভারতের বিপুল ধন-ঐশ্বর্য সংগ্রহ করা।

গজনির শাসনব্যবস্থা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা এবং এটিকে সমৃদ্ধিশালী ও আকর্ষণীয় নগরীতে পরিণত করা সুলতান মাহমুদের উদ্দেশ্য ছিল। এছাড়া একটি বিশাল সেনাবাহিনী পোষণের মানসে তার অনেক অর্থের দরকার পড়েছিল। ফলে ভারতীয় উপমহাদেশকে তিনি তার প্রয়োজনীয় অর্থভাণ্ডার মনে করে সেখানে ১৭ বার অভিযান পরিচালনা করেন। আর ভারত হতে সংগৃহীত অর্থ তিনি স্বীয় রাজধানী গজনির উন্নতিকল্পে ব্যয় করেন।


গ) উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনাটি ভারতবর্ষে আরবদের সিন্ধু বিজয়াভিযানের সাথে সংগতিপূর্ণ।

উদ্দীপকে দেখা যায়, সাম্রাজ্যের একটি অঞ্চলের সাম্রাজ্যবাদী ও উচ্চাভিলাষী শাসনকর্তা সীমান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে পার্শ্ববর্তী দেশ জয়ের চেষ্টা করেন। তার প্রথম দুটি অভিযান ব্যর্থ হলে তৃতীয় অভিযানে নিকটাত্মীয় জায়েদকে প্রেরণ করেন এবং জায়েদের সামরিক প্রতিভা দ্বারা জয়লাভ করেন। অনুরূপভাবে, হাজ্জাজ বিন ইউসুফ খলিফা ওয়ালিদের অনুমোদনক্রমে ৭১০ খ্রিষ্টাব্দে প্রথমে ওবায়েদুল্লাহ ও পরে বুদাইলের নেতৃত্বে রাজা দাহিরের বিরুদ্ধে দুইটি অভিযান প্রেরণ করেন; কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত দুইটি অভিযানই ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। ব্যর্থতার গ্লানি মুছে ফেলার জন্য হাজ্জাজ ৭১১ খ্রিস্টাব্দে স্বীয় ভ্রাতুস্পুত্র ও জামাতা মুহাম্মদ বিন কাসিমের নেতৃত্বে সিন্ধুতে তৃতীয় অভিযান পাঠান। ৭১২ খ্রিষ্টাব্দে মুহাম্মদ বিন কাসিম 'দেবল' বন্দরে এসে উপস্থিত হন, যা ব্রাহ্মণ ও রাজপুত্রদের দ্বারা সুরক্ষিত ছিল। তিনি দুর্গটি অবরোধ করলেন এবং 'মানজানিকের' সাহায্যে বৃহদাকার প্রস্তর নিক্ষেপ করে শত্রুবাহিনীকে পরাজিত করে দেবল অধিকার করেন। দেবল দখলের পর মুহাম্মদ বিন কাসিম নিরুন, সিওয়ান, সিসাম জয় করে রাজা দাহিরের মুখোমুখি হন। রাওয়ারে বীরবিক্রমে যুদ্ধ করেও রাজা দাহির পরাজিত ও নিহত হন। অতঃপর মুহাম্মম্মদ বিন কাসিম ব্রাহ্মণাবাদ এবং সিন্ধুর রাজধানী আলোর অধিকার করে ভারতের অন্যতম সমৃদ্ধশালী শহর মুলতান অবরোধ ও দখল করেন। মুলতান বিজয়ের মধ্য দিয়ে রাজা দাহিরের সমগ্র রাজ্যের ওপর আরবদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।


ঘ) সিন্ধু বিজয়ের রাজনৈতিক ফলাফলকে শুধু উপাখ্যান বলা যথাযথ হবে না।

কারণ মুহাম্মদ বিন কাসিমের মৃত্যুর পর সিন্ধু ও মুলতানে আরব শাসন দেড়শ বছর স্থায়ী হয়েছিল। তাছাড়া তার পদায়ক অনুসরণ করেই সুলতান মাহমুদ ও মুহাম্মদ ঘুরী ভারতে তাদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছিলেন। আরব সৈন্যদের মধ্যে অনেকেই স্থায়ীভাবে ভারতে বসতি স্থাপন করে। বিজিত অঞ্চলে বহু রাস্তাঘাট নির্মাণ করেছিলেন তাদের কীর্তি আজও বিদ্যমান। ইতিহাসবিদ টড 'রাজস্থানের ইতিহাস' গ্রন্থে আরবদের সিন্ধু বিজয়কে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বলে অভিহিত করেছেন। সিন্ধু বিজয়ের রাজনৈতিক ফলাফল নিয়ে বিতর্ক থাকলেও এর ধর্মীয় ফলাফল ছিল খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। এ বিজয়ের ফলে অসংখ্য পির-দরবেশ ভারত উপমহাদেশে ধর্ম প্রচারের জন্যে আগমন করেন; যাদের প্রভাবে সাম্য, মৈত্রী, উদারতা ও সহিষ্ণুতার প্রতীক ইসলাম ধর্মে দলে দলে নির্যাতিত সম্প্রদায় যোগদান করতে থাকে।

সিন্ধু ও মুলতানে আরব প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হবার পর আরবদের সাথে ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয় এবং উভয় দেশের বাণিজ্য সিন্ধু বিজয়ের মাধ্যমে আরবগণ সর্বপ্রথম হিন্দু সম্প্রদায়ের নিবিড় সংস্পর্শে আসার সুযোগ পায়। ফলে উভয়ের মধ্যে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। সমঝোতা ও আর্য ও সেমেটিক জাতির এ মহামিলন ভারতবর্ষে নতুন সমাজব্যবস্থার সৃষ্টি করে। আরবদের কল্যাণমুখী শাসন, ধর্মীয় স্বাধীনতা, ধর্মীয় উপাসনালয়গুলো সংরক্ষণ উভয়ের মধ্যে আস্থার সৃষ্টি করে। প্রকৃতপক্ষে হিন্দু-মুসলিমের এ সহাবস্থানই পরবর্তীতে ভারতে নতুন সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিকাশ ঘটিয়েছিল।

উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে আমরা একথা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি যে, আরবদের সিন্ধু অভিযান কোনো নিষ্ফল বিজয় নয়।



উদ্দীপকঃ-


=> বালুখালি এলাকার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য ত্রাণসামগ্রী আসলে ঐ এলাকার চেয়ারম্যান সেগুলো গ্রহণ করার পূর্বে একদল লুটেরা কর্তৃক লুষ্ঠিত হয়ে যায়। চেয়ারম্যান এ ঘটনার সাথে জড়িতদের শাস্তি দাবি করলেও কোনো প্রতিকার না পেয়ে নিজেই জড়িতদের শান্তির ব্যবস্থা করেন। ফলে উভয়পক্ষে সংঘর্ষ হয়। প্রতিপক্ষের প্রধান নিহত হয় ও প্রতিপক্ষের বাকি লোকজনও প্রাণভয়ে পালিয়ে যায়।


প্রশ্ন:-

ক. হাজ্জাজ বিন ইউসুফ কে ছিলেন?

খ. মুহাম্মদ বিন কাসিমের মৃত্যুর কারণ ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত 'লুষ্ঠনের ঘটনার সাথে আরবের সিন্ধু বিজয়ের কোন কারণটির মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. উদ্দীপকের লুন্ঠনকারীদের পরিণতি ও সিন্ধু বিজয়ের ফলাফল এক নয়- বিশ্লেষণ কর।


প্রশ্নের উত্তরঃ-


ক) হাজ্জাজ-বিন-ইউসুফ ছিলেন উমাইয়া খলিফা আল-ওয়ালিদের।


খ) মুহাম্মদ বিন কাসিমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ছিল খলিফা সুলায়মানের ব্যক্তিগত আক্রোশ।

মুহাম্মদ বিন কাসিমের মৃত্যুর পিছনে রাজা দাহিরের কন্যা সূর্যদেবী ও পরিমল দেবীর মিথ্যা অভিযোগকে দায়ী করা হয়। তবে এ ঘটনার ঐতিহাসিক কোনো ভিত্তি নেই। প্রকৃতপক্ষে হাজ্জাজ বিন ইউসুফের প্রতি খলিফা সুলায়মানের ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণেই তার ভ্রাতুস্পুত্র ও জামাতা মুহাম্মদ বিন কাসিমকে প্রাণ দিতে হয়েছিল। খলিফার নির্দেশেই তাকে রাজধানী দামেস্কে এনে কারারুদ্ধ করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।


গ) উদ্দীপকে উল্লিখিত লুন্ঠনের ঘটনার সাথে আরবদের সিন্ধু বিজয়ের প্রত্যক্ষ কারণের মিল রয়েছে।

অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রারম্ভে সিংহলরাজ কর্তৃক খলিফা ওয়ালিদ ও হাজ্জাজ বিন ইউসুফের নিকট প্রেরিত উপঢৌকনপূর্ণ আটটি আরব জাহাজ সিন্ধুর দেবলস্থ জলদস্যু কর্তৃক লুন্ঠনই ছিল আরবদের সিন্ধু অভিযানের প্রত্যক্ষ কারণ, উদ্দীপকেও যার প্রতিফলন লক্ষণীয়।উদ্দীপকে দেখা যায়, বালুখালির চেয়ারম্যানের কাছে আসা ত্রাণসামগ্রী লুটেরা কর্তৃক লুট হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের শান্তি চেয়ে চেয়ারম্যান আবেদন করলেও কোনো লাভ হয়নি। ফলে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। একই ঘটনা আরবদের সিন্ধু অভিযানের ক্ষেত্রেও পরিলক্ষিত হয়। সিন্ধু রাজা দাহিরের সীমানায় জলদুস্য কর্তৃক মুসলমানদের জাহাজ লুন্ঠন হলে খলিফা ওয়ালিদের পূর্বাঞ্চলীয় শাসনকর্তা হাজ্জাজ বিন ইউসুফ রাজা দাহিরের কাছে এর ক্ষতিপূরণ দাবি করে। কিন্তু রাজা সাহির এ ক্ষতিপূরণের দাবিকে অগ্রাহ্য করলে সাম্রাজ্যবাদী শাসনকর্তা হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ৭১০ খ্রিস্টাব্দে সিন্ধুতে অভিযান প্রেরণ করেন। সুতরাং বলা যায় যে, উদ্দীপকের লুটের ঘটনার সাথে আরবদের সিন্ধু বিজয়ের প্রত্যক্ষ কারণের সাদৃশ্য রয়েছে।


ঘ) উদ্দীপকে বর্ণিত লুন্ঠনকারীদের পরিণতি আরবদের সিন্ধু বিজয়ের ফলাফলের মধ্যে সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য উভয়ই পরিলক্ষিত হয়।

ভারতবর্ষ ও ইসলামের ইতিযাসে আরবদের সিন্তু বিজয় একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। রাজনৈতিক দিক দিয়ে এটি একটি নিষ্ফল বিজয় হলেও সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক দিক দিয়ে এর ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী। আরবদের সিন্ধু অভিযানে রাজা দাহিরের পরিণতির সাথে উদ্দীপকের প্রতিপক্ষের পরিণতিগত সাদৃশ্য থাকলেও অন্যান্য দিক দিয়ে ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে।

উদ্দীপকে দেখা যায়, বালুখালি এলাকার চেয়ারম্যান লুটকারীদেরকে শান্তি দেন। এতে প্রতিপক্ষের প্রধান নিহত হয় এবং অন্যান্য লুটকারী প্রাণভয়ে পালিয়ে যায়। সিন্ধু অভিযানের ক্ষেত্রেও দেখা যায়, রাজা দাহির মুহাম্মদ বিন কাসিমের কাছে পরাজিত ও নিহত হয়। তবে সিন্ধু অভিযানের সূত্র ধরেই ভবিষ্যতে মুসলিমরা ভারতে প্রবেশ করে। ফলে ধর্মীয় ক্ষেত্রে এর তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব পড়ে। আরবরা সিন্ধু বিজয়ের মাধ্যমে ভারতবর্ষে মুসলিম শাসন ও আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে। তারা এ বিজয়ের মাধ্যমে প্রায় ১৫০ বছর ভারত শাসন করে। মুহাম্মদ বিন কাসিমের নেতৃত্বে আরবদের সিন্ধু বিজয়ের ফলে ধর্মীয় ক্ষেত্রেও সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়ে। সিন্ধু বিজয়ের ফলে সিন্ধুর বিধর্মীদের ইসলামের আদর্শের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ ঘটে। এ বিজয়ের ফলে আরবদের সামাজিক ক্ষেত্রে অনেক পরিবর্তন আসে। আরবগণ হিন্দু সম্প্রদায়ের সংস্পর্শে আসে এবং উভয়ের মাঝে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। এতে আর্য ও সেমেটিক জাতির সংমিশ্রণে সিন্ধুর লোকাচার ও সামাজিক রীতিনীতি তাদের প্রাত্যহিক জীবনে অনুপ্রবেশ করে। এ বিজয়ের ফলে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে আরবদের আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়। সিন্ধু বিজয়ের ফলে আরবদের সাথে ভারতবর্ষের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়।

পরিশেষে বলা যায় যে সিন্ধু বিজয়ের ফলে আরবদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের লুন্ঠনকারীদের পরিণতি ও সিন্ধু বিজয়ে ফলাফল ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

Ask2Ans এ সুস্বাগতম, যেখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং গোষ্ঠীর অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর 54 বার প্রদর্শিত
0 টি ভোট
1 উত্তর 67 বার প্রদর্শিত
23 নভেম্বর 2023 "পড়াশোনা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Hasib (574 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর 45 বার প্রদর্শিত
21 জানুয়ারি "পড়াশোনা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Admin (502 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর 40 বার প্রদর্শিত
25 জানুয়ারি "ইসলাম শিক্ষা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Admin (502 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর 10 বার প্রদর্শিত
15 ফেব্রুয়ারি "পড়াশোনা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Admin (502 পয়েন্ট)
Follow us on Google News
...